মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
টেসলা ও স্পেস-এক্স প্রাইভেট কোম্পানীর এর প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক এখনও বিম্বের
সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। ফোর্বস পত্রিকার সাম্প্রতিক
বিশ্বের ধনী ব্যক্তির তালিকা অনুযায়ী ইলন মাস্কের মোট সম্পতির পরিমান ২৮২ বিলিয়ন মার্কিন
ডলার, যা তালিকার দ্বিতীয় ধনী ই-কমার্স জায়েন্ট আমাজান কোম্পানীর প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস
এর চেয়ে প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও
মত বেশী ।
কোভিড-১৯ অতিমারীর
সময় ইলন মাস্কের কোম্পানী অন্যতম লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসাবে মুনাফা করে। ২০২০ সালের
শুরুতে তার কোম্পানীগুলির সম্পাতির পরিমান ছিল মাত্র ২৬.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রায় ১ বছর
পর লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসাবে সম্পত্তির পরিমান অকল্পনীয়ভাবে বড় উচ্চতায় নিয়ে যায়।
২০২০ সালে ইলন
মাস্ক ১১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশী আয় করে ফোর্বস পত্রিকার সমীক্ষা করা কোন কোটিপতির
এযাবত কালের ১ বছরে সর্বচ্চো আয় করে রেকর্ড তৈরী করেন। ২০২১ সালে তিনি ৯০ কোটি মার্কিন
ডলারেরও বেশী আয় করেন।
২০২১ সালের শুরুতে
তিনি আমাজনের বেজোসকে শীর্ষ স্থানচ্যুত করেন, জেফ বেজোস ২০১৭ সাল থেকে বিশ্বের সবচেয়ে
ধনী ছিলেন। সেই সময়, টেসলা সিইও-র আনুমানিক মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৮৮.৫ বিলিয়ন
মার্কিন ডলার - যা বেজোসের চেয়ে ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি।
ইলন মাস্কের সম্পদ
শীর্ষস্থানে আসে গত বছরের নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে, তখন ইলন মাস্কের টেসলা কোম্পানীর
শেয়ার বিক্রি রেকর্ড সৃষ্টির মাধ্যমে এটা পৌঁছায় ৩৪০.৪ মার্কিন ডলারে। ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন
ডলারেরও অধিক সম্পদের হিসাবে ইলন মাস্ক প্রথম
ব্যক্তি।
বর্তমানে অন্যতম
শীর্ষ ধনী মাইক্রোসফটের প্রাক্তন প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং স্টিভ বালমারের মিলিত সম্পদের
চেয়েও ইলন মাস্কের সম্পত্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। গেটসের মোট সম্পদের পরিমাণ ১৩৪.২
বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বালমারের মোট সম্পদের পরিমাণ ৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
মার্কিন সংবাদ
মাধ্যম সিএনএন-এর মতে ইলন মাস্কের মোট সম্পত্তির ১১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে ৩২ টি
জাতীয় ফুটবল দল কেনার ক্ষমতা রাখেন।ইতিমধ্যে মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম টুইটার কিনতে
৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হাঁকিয়েছেণ ইলন মাস্ক।যা বর্তমানে শ্রীলংকার ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেনার
সমান।

0 মন্তব্যসমূহ