লেবানন তার বিদেশী মিশনগুলিতে একটি সার্কুলার পাঠিয়েছে যাতে তাদের বেতন –ভাতা, বাড়ীভাড়া, ও অন্যান্য খরচ
নির্বাহ করার জন্য নিজ নিজ দেশে ডোনার খুঁজে বের করে অনুদান সংগ্রহের মাধ্যমে ব্যয় নির্বাহের জন্য বলা হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে অর্থসংকটে জর্জরিত লেবানন তার দূতাবাসগুলোকে তাদের চলমান খরচ বহনে সহায়তা করার জন্য দাতাদের সন্ধান করতে বলেছে, কারন দেশটি নগদ অর্থে
তার বিদেশী মিশনগুলির খরচ চালাতে পারছে না বরং বিদেশে তার দুতাবাসগুলি বন্ধের চিন্তা-ভাবনা
করছে।
বিশ্বব্যাংক যাকে বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ আর্থিক মন্দা হিসেবে বর্ণনা করেছে, লেবানন তার মধ্যে রয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে বেশিরভাগ রিজার্ভ খরচ হয়ে গেছে, যার ফলে ডলারের ঘাটতি দেখা দিয়েছে যা জাতীয় মুদ্রাকে তার মূল্যের ৯০ শতাংশেরও বেশি হারাতে হয়েছে।
গত ডিসেম্বরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বাউ হাবিব বলেন, দূতাবাসগুলোতে ভাড়া ভাতা, কূটনীতিকদের বেতন-ভাতা ও দলের জন্য ব্যয় ও ভ্রমণের খরচ কমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন তিনি। মোট ৯৫ মিলিয়ন ডলারের বাজেটের মধ্যে সাশ্রয়-এর পরিমাণ হতে পারে ১৮ মিলিয়ন ডলার।

0 মন্তব্যসমূহ